মোবাইল ফোনে সাধারণভাবে ফোল্ডার লুকিয়ে রাখা দুষ্কর। ফাইল ম্যানেজার থেকে সব ধরনের ফোল্ডারই দেখা যায়। তবে একটু কৌশল করে মোবাইলের ফোল্ডারও লুকিয়ে রাখা যায়ঃ
এ সুবিধা পেতে প্রথমে মোবাইল মেমোরিতে একটি ফোল্ডার তৈরি করতে হবে। ফোল্ডারের শেষে এঙ্টেনশন হিসেবে .jad ব্যবহার করতে হবে। যেমন music নামে এ ফাইল তৈরি করলে ফাইলটির পুরো নাম হবে music.jad। এবার যে ফাইলগুলো লুকিয়ে রাখা প্রয়োজন, সেগুলো music.jad ফোল্ডারে ঢুকিয়ে নিতে হবে। এবার একই নামে একই রুটে আরো একটি ফোল্ডার তৈরি করতে হবে। যেহেতু আমরা আগে music নামে ফোল্ডার তৈরি করেছি, তাই নতুন ফোল্ডারটিও হবে music নামে। তবে এবার ফোল্ডারটি রিনেম করে এঙ্টেনশন হিসেবে .jar যুক্ত করতে হবে। পুরো ফাইলটির নাম হবে তাহলে music.jar। নতুন ফাইলটি তৈরি হওয়ার পর মোবাইল থেকে দেখা যাবে আগের ফোল্ডারটি উধাও হয়ে গেছে! আগের ফোল্ডারটি আর দেখা যাবে না। ফোল্ডার থেকে ফাইলগুলো দেখার জন্য মেমোরি কার্ড খুলে অথবা ডোটা কেব্ল্ দিয়ে কম্পিউটারের সঙ্গে ফোন সংযুক্ত করে তবে ফোল্ডার থেকে ফাইলগুলো বের করা যাবে।
এ সুবিধা পেতে প্রথমে মোবাইল মেমোরিতে একটি ফোল্ডার তৈরি করতে হবে। ফোল্ডারের শেষে এঙ্টেনশন হিসেবে .jad ব্যবহার করতে হবে। যেমন music নামে এ ফাইল তৈরি করলে ফাইলটির পুরো নাম হবে music.jad। এবার যে ফাইলগুলো লুকিয়ে রাখা প্রয়োজন, সেগুলো music.jad ফোল্ডারে ঢুকিয়ে নিতে হবে। এবার একই নামে একই রুটে আরো একটি ফোল্ডার তৈরি করতে হবে। যেহেতু আমরা আগে music নামে ফোল্ডার তৈরি করেছি, তাই নতুন ফোল্ডারটিও হবে music নামে। তবে এবার ফোল্ডারটি রিনেম করে এঙ্টেনশন হিসেবে .jar যুক্ত করতে হবে। পুরো ফাইলটির নাম হবে তাহলে music.jar। নতুন ফাইলটি তৈরি হওয়ার পর মোবাইল থেকে দেখা যাবে আগের ফোল্ডারটি উধাও হয়ে গেছে! আগের ফোল্ডারটি আর দেখা যাবে না। ফোল্ডার থেকে ফাইলগুলো দেখার জন্য মেমোরি কার্ড খুলে অথবা ডোটা কেব্ল্ দিয়ে কম্পিউটারের সঙ্গে ফোন সংযুক্ত করে তবে ফোল্ডার থেকে ফাইলগুলো বের করা যাবে।



0 comments:
Post a Comment