বর্তমান দুনিয়ার দিকে চোখ ঘুরালে আমরা দেখতে পাই, মুসলিমরা আজ সর্বত্র যুলুম, নির্যাতন ও বৈষম্যের স্বীকার। যেখানে সেখানে তারা বিজাতিদের হাতে মার খাচ্ছে, প্রতিনিয়তই যুলুম নির্যাতনের স্বীকার হচ্ছে; কোথাও তারা মাথা গুঁজবার ঠাই পাচ্ছে না। ইয়াহূদী, নাসারা ও মুশরিকরা মুসলিমদের তাদের খেলার পুতুলে পরিণত করছে। যখন যা ইচ্ছা তাদের সাথে তাই করছ, তাদেরকে তাদের আক্রোশের লক্ষ বস্তুতে পরিণত করছে। কোন প্রকার কারণ ছাড়াই, খোঁড়া অজুহাত আবিষ্কার করে পৃথিবীর বিভিন্ন মুসলিম দেশে মুসলিমদের নির্বিচারে হত্যা করছে, তাদের উপর হামলা চালাচ্ছে, অসহায় নারী-পুরুষ, আবাল বৃদ্ধ সবাইকে নির্বিচারে হত্যা করছে। তাদের প্রতিশোধের দাবানল থেকে মায়ের কোলের নিষ্পাপ-নিরপরাধ ঘুমন্ত শিশুও রেহাই পাচ্ছে না। ন্যায় অন্যায় ও বিচার বিশ্লেষণ ছাড়াই তাদের উপর চলছে অকথ্য ও অমানবিক নির্যাতন। মুসলিমরা কোথাও মাথা ছাড়া দিয়ে উঠার চেষ্টা করলেই, অংকুরেই তাদের ধ্বংস করে দেয়ার পায়তারা করে, মানবতার দুশমন ইয়াহূদী নাসারাসহ ইসলামের শত্রুরা। বর্তমান দুনিয়াতে মুসলিমদের এহেন নাজুক পরিস্থিতি কারণ ও এর প্রতিকার সম্পর্কে আমাদের জানা থাকা আবশ্যক। আমি আমার এ ক্ষুদ্র নিবন্ধে মুসলিমদের অধঃপতনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ উল্লেখ করছি।
মুসলিমদের অধঃপতনের কারণ:
এক.
ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব
মুসলিমদের বড় সমস্যা হল, তাদের অধিকাংশই ইসলাম সম্পর্কে একেবারেই অজ্ঞ। ইসলামের কৃষ্টি কালচার, বৈশিষ্ট্য ও ঐতিহ্য সম্পর্কে তারা কিছুই জানে না। এমনকি অসংখ্য অগণিত মুসলিমের অবস্থা এতই নাজুক, তারা কেবলই নামে মাত্র মুসলিম অথবা মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করছে বলে মুসলিম। ইসলাম কি তারা তা জানে না; ইসলাম ও কুফরের মধ্যে পার্থক্যও তারা নির্ধারণ করতে পারে না।
একজন মুসলিমের জন্য সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও অধিক প্রয়োজনীয় দিক হল, আক্বীদা বা বিশ্বাস। আমল-আখলাকের ক্ষেত্রে কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলে, হয়ত তাতে কড়াকড়ি করা নাও হতে পারে; কিন্তু আক্বীদা বা বিশ্বাসের ক্ষেত্রে কোন প্রকার ত্রুটি থাকলে, তা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না এবং তার যাবতীয় আমল, ও ইবাদত বন্দেগী সবই মূল্যহীন হয়ে পড়ে। এসবের কোন বিনিময় তাকে দেয়া হবে না। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হল, বর্তমানে মুসলিমদের আক্বীদা ও বিশ্বাসেই অসংখ্য ত্রুটি রয়েছে। তারা নামে মাত্র মুসলিমদের কাতারে সামিল। বাস্তবে তাদের অবস্থা খুবই করুণ।
এখানে আরো একটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয়, তা হল, সাধারণ মুসলিম যারা ইসলাম সম্পর্কে পড়া-লেখা করেনি, কুরআন ও হাদিস অধ্যয়ন করার সুযোগ পায়নি, তাদের ভুল-ত্রুটি থাকাটা যতটা স্বাভাবিক, কিন্তু যারা ইসলাম সম্পর্কে পড়া-লেখা করেছে, যারা সমাজে ইসলামের নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে, মানুষকে ইসলাম সম্পর্কে তালিম দিচ্ছে, ইসলামের ব্যাখ্যা দিচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে ইসলামের দাওয়াত দিয়ে বেড়াচ্ছে, তাদের মধ্যে যদি ইসলামী আকীদা-বিশ্বাস, ইসলামের মূলনীতি ও ঈমানের পরিপন্থী কুফর সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব থাকে তাহলে ইসলাম ও মুসলিমদের অবস্থা যে কত করুণ হতে পারে, তা সহজেই অনুমান করা যায়। বর্তমান বাস্তবতার দিকে লক্ষ্য করলে আমরা সহজেই দেখতে পাই, আমাদের দেশসহ সারা বিশ্বে যারা ইসলামের দাওয়াত দিচ্ছে তারা নিজেরাই ইসলাম সম্পর্কে বিশেষ করে আক্বীদার ক্ষেত্রে একেবারেই অজ্ঞ বা ভুল আকীদায় বিশ্বাসী।
ইসলাম মানব জাতির জন্য যে সর্বজন ও চিরন্তন বিধান দিয়েছে, এ সম্পর্কে মুসলিমদের জানা থাকা ও বিশ্বাস করা আবশ্যক ছিল। কিন্তু তিক্ত হলেও সত্য, একজন মুসলিম তার দৈনন্দিন জীবনে চলাফেরা, নিত্য-দিনের ইবাদত বন্দেগী ও খুঁটি-নাটি সমস্যা সম্পর্কে ইসলামের সমাধান কি তা জানে না। তাহলে সে কীভাবে যুগের চাহিদা ও মানবজাতির প্রয়োজন অনুযায়ী ইসলামকে মানুষের সামনে তুলে ধরবে? কীভাবে সে বর্তমান বিশ্বের চ্যালেঞ্জকে মোকাবেলা করবে?
এখানে আরো লক্ষণীয় বিষয় হল, ইসলাম সম্পর্কে জানার ও ইসলামী শরী‘আতের উৎস হল, কুরআন ও হাদিস। কুরআন সুন্নাহর বাহিরে ইসলাম সম্পর্কে জানার আর কোন মাধ্যম বা অবকাশ নাই। কিন্তু মুসলিমরা এ দুটি বিষয়কে বাদ দিয়ে এক শ্রেণীর নাম-ধারী আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ ও তথাকথিত ইসলামী চিন্তাবিদ যারা তাদের মনগড়া, মিথ্যা, বানোয়াট ও কল্পকাহিনীকে ইসলামের নামে চালিয়ে যায়, তাদের থেকে ইসলাম শিখে। তাদের খপ্পরে পড়ে একশ্রেণীর মুসলিম প্রতিনিয়ত ইসলাম বিষয়ে প্রতারিত হচ্ছে। ফলে তারা না জেনে না বুঝে মুসলিমদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ায় এবং ইসলামের সত্যিকার জ্ঞান লাভ হতে বঞ্চিত হয়।
মুসলিমদের অধঃপতনের কারণ:
এক.
ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব
মুসলিমদের বড় সমস্যা হল, তাদের অধিকাংশই ইসলাম সম্পর্কে একেবারেই অজ্ঞ। ইসলামের কৃষ্টি কালচার, বৈশিষ্ট্য ও ঐতিহ্য সম্পর্কে তারা কিছুই জানে না। এমনকি অসংখ্য অগণিত মুসলিমের অবস্থা এতই নাজুক, তারা কেবলই নামে মাত্র মুসলিম অথবা মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করছে বলে মুসলিম। ইসলাম কি তারা তা জানে না; ইসলাম ও কুফরের মধ্যে পার্থক্যও তারা নির্ধারণ করতে পারে না।
একজন মুসলিমের জন্য সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও অধিক প্রয়োজনীয় দিক হল, আক্বীদা বা বিশ্বাস। আমল-আখলাকের ক্ষেত্রে কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলে, হয়ত তাতে কড়াকড়ি করা নাও হতে পারে; কিন্তু আক্বীদা বা বিশ্বাসের ক্ষেত্রে কোন প্রকার ত্রুটি থাকলে, তা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না এবং তার যাবতীয় আমল, ও ইবাদত বন্দেগী সবই মূল্যহীন হয়ে পড়ে। এসবের কোন বিনিময় তাকে দেয়া হবে না। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হল, বর্তমানে মুসলিমদের আক্বীদা ও বিশ্বাসেই অসংখ্য ত্রুটি রয়েছে। তারা নামে মাত্র মুসলিমদের কাতারে সামিল। বাস্তবে তাদের অবস্থা খুবই করুণ।
এখানে আরো একটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয়, তা হল, সাধারণ মুসলিম যারা ইসলাম সম্পর্কে পড়া-লেখা করেনি, কুরআন ও হাদিস অধ্যয়ন করার সুযোগ পায়নি, তাদের ভুল-ত্রুটি থাকাটা যতটা স্বাভাবিক, কিন্তু যারা ইসলাম সম্পর্কে পড়া-লেখা করেছে, যারা সমাজে ইসলামের নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে, মানুষকে ইসলাম সম্পর্কে তালিম দিচ্ছে, ইসলামের ব্যাখ্যা দিচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে ইসলামের দাওয়াত দিয়ে বেড়াচ্ছে, তাদের মধ্যে যদি ইসলামী আকীদা-বিশ্বাস, ইসলামের মূলনীতি ও ঈমানের পরিপন্থী কুফর সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব থাকে তাহলে ইসলাম ও মুসলিমদের অবস্থা যে কত করুণ হতে পারে, তা সহজেই অনুমান করা যায়। বর্তমান বাস্তবতার দিকে লক্ষ্য করলে আমরা সহজেই দেখতে পাই, আমাদের দেশসহ সারা বিশ্বে যারা ইসলামের দাওয়াত দিচ্ছে তারা নিজেরাই ইসলাম সম্পর্কে বিশেষ করে আক্বীদার ক্ষেত্রে একেবারেই অজ্ঞ বা ভুল আকীদায় বিশ্বাসী।
ইসলাম মানব জাতির জন্য যে সর্বজন ও চিরন্তন বিধান দিয়েছে, এ সম্পর্কে মুসলিমদের জানা থাকা ও বিশ্বাস করা আবশ্যক ছিল। কিন্তু তিক্ত হলেও সত্য, একজন মুসলিম তার দৈনন্দিন জীবনে চলাফেরা, নিত্য-দিনের ইবাদত বন্দেগী ও খুঁটি-নাটি সমস্যা সম্পর্কে ইসলামের সমাধান কি তা জানে না। তাহলে সে কীভাবে যুগের চাহিদা ও মানবজাতির প্রয়োজন অনুযায়ী ইসলামকে মানুষের সামনে তুলে ধরবে? কীভাবে সে বর্তমান বিশ্বের চ্যালেঞ্জকে মোকাবেলা করবে?
এখানে আরো লক্ষণীয় বিষয় হল, ইসলাম সম্পর্কে জানার ও ইসলামী শরী‘আতের উৎস হল, কুরআন ও হাদিস। কুরআন সুন্নাহর বাহিরে ইসলাম সম্পর্কে জানার আর কোন মাধ্যম বা অবকাশ নাই। কিন্তু মুসলিমরা এ দুটি বিষয়কে বাদ দিয়ে এক শ্রেণীর নাম-ধারী আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ ও তথাকথিত ইসলামী চিন্তাবিদ যারা তাদের মনগড়া, মিথ্যা, বানোয়াট ও কল্পকাহিনীকে ইসলামের নামে চালিয়ে যায়, তাদের থেকে ইসলাম শিখে। তাদের খপ্পরে পড়ে একশ্রেণীর মুসলিম প্রতিনিয়ত ইসলাম বিষয়ে প্রতারিত হচ্ছে। ফলে তারা না জেনে না বুঝে মুসলিমদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ায় এবং ইসলামের সত্যিকার জ্ঞান লাভ হতে বঞ্চিত হয়।



0 comments:
Post a Comment